বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম
জাতিসংঘের পরিবেশ অধিবেশনে প্লাস্টিক দূষণ বন্ধে বাংলাদেশ আরও শক্তিশালী বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে। ঢাকা এবং ক্যানবেরা শক্তিশালী অংশীদারিত্বের জন্য অঙ্গীকার করেছে নৌপরিবহন সেক্টরে সুশাসন প্রতিষ্ঠান পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে —–নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা নির্বাচনে সকল পুলিশ সদস্যকে শতভাগ নিরপেক্ষ থাকতে হবে ——ডিএমপি কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখে মৎস্য অধিদপ্তরকে আরও উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা দুই উপদেষ্টার পদত্যাগপত্র প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা পরিবেশ প্রশাসনে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার শুরু করেছে বাংলাদেশ— রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার ওপর জোর পরিবেশ উপদেষ্টার আগামী নির্বাচনকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে হবে: উপজেলা নির্বাহীদের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামে আবারও আমদানি নিষিদ্ধ ঘনচিনি (Sodium Cyclamate) আটক মডেল মসজিদ তৃনমূল পর্যায়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে           -ধর্ম উপদেষ্টা

পরিবেশ দূষণ রোধে শিল্পকারখানাগুলোকে দায়িত্ব নিতে হবে। – পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

মোঃ জহিরুল ইসলাম / ১৬৮ পাঠক
প্রকাশকাল বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

,

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে শিল্পকারখানাগুলোকে দায়িত্ব নিতে হবে এবং তাদের পুনর্বাসন পরিকল্পনার প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, “শুধু সরকারের ওপর নির্ভর করলে হবে না, শিল্পকারখানাকে নিজ দায়িত্বে দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে হবে।”

তিনি ১৭ ফেব্রুয়ারি:সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে “বাংলাদেশে সিসা দূষণ হ্রাসের সক্ষমতা উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগী, বিশেষ করে ফ্রান্সের সহায়তায় পরিবেশ অধিদপ্তর এখন একটি সময়সীমাবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে পারে। “সকল দূষণকারী শিল্পের বিরুদ্ধে একসঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব না হলেও, যেগুলোর পরিবেশগত ছাড়পত্র নেই, সেগুলোর বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে।”

তিনি জানান, শিল্প বন্ধ করা উদ্দেশ্য নয়, বরং তাদের ছাড়পত্র গ্রহণে বাধ্য করা এবং পুনর্বাসন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা জরুরি। পরিবেশগত ছাড়পত্রে নিয়মিত পুনর্বাসন কার্যক্রমের শর্ত সংযুক্ত করা উচিত, যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

তিনি একটি দূষণ পুনর্বাসন তহবিল গঠনের প্রস্তাব দেন, যেখানে শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ জমা দেবে। সফল পুনর্বাসনের পর তা ফেরত দেওয়া হবে, আর ব্যর্থ হলে সরকার ওই অর্থ দিয়ে পরিচ্ছন্নতার কাজ করবে।

তদারকি ও বাস্তবায়ন জোরদারে স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-কে মাল্টিস্টেকহোল্ডার স্টিয়ারিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান, যাতে সিসাযুক্ত ব্যাটারির পরিবর্তে লিথিয়াম ব্যাটারি ব্যবহারে কর নীতির পরিবর্তন সহজ হয়।

সিসা দূষণের স্বাস্থ্যঝুঁকি তুলে ধরতে চিকিৎসকদেরও এই কমিটিতে রাখা উচিত, বলেন তিনি। পাশাপাশি, বাংলাদেশ মান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান (BSTI)-কে দূষণ নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড দ্রুত নির্ধারণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান সভাপতিত্ব করেন। ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুই বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এছাড়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক শেখ সাইদুল হক, আইসিডিডিআরবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মায়া ভ্যানডেনেন্ট, পিওর আর্থ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক মিতালী দাস এবং ইয়ুথনেট গ্লোবাল এর এক্সিকিউটিভ কোওর্ডিনেটর সোহানুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *