শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
অবৈধ ইটভাটা, পলিথিন ও দূষণকারী কারখানার বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযানে ৩৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ও ১২ টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী বন্যার সহায়তা ও সংহতির জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শুরু হলো চামড়া শিল্প প্রদর্শনীর ১১তম আসর ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২৫’ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৮৮টি দায়েরকৃত বন মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বস্ত্রখাতে কোন ভুল সিদ্ধান্ত হবে না,রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চাই: —উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এর বিশেষ অভিযানে সিগারেট কোম্পানির প্রায় ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ উদঘাটন বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ করে, আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংক দ্বারা নির্ধারিত নয়। —বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডঃ আহসান এইচ মনসুর স্থায়ী বিশেষজ্ঞ প্যানেল-এর সেমিনার অনুষ্ঠিত আগামী নির্বাচনে দায়িত্বপালন হবে ঐতিহাসিক: নতুন এসপি’দের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সারাদেশে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে সরকার

নিম্নবিত্ত পরিবারের ব্যবহরিত গুটিস্বর্ণা বা মোটা চালসহ মধ্যম মানের চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে।

আলী আহসান রবি - স্টাফ রিপোর্টার / ৬৬ পাঠক
প্রকাশকাল শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২১ পূর্বাহ্ন

অদ্য ১৭ মার্চ ২০২৫ তারিখে দৈনিক সমকাল পত্রিকায় “চালের ভরপুর জোগান, তবু লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম” এবং দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় “চালে অস্বস্তি, অন্য পণ্যে স্বস্তি” শীর্ষক সংবাদের বিষয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য:

বিগত বছরগুলোর অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে আমন মৌসুমের শেষে এবং বোরো মৌসুমে শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পায়। তবে এ বছর বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের পদক্ষেপের কারনে নিম্নবিত্ত পরিবারের ব্যবহরিত গুটিস্বর্ণা বা মোটা চালসহ মধ্যম মানের চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। খাদ্য অধিদপ্তেরের যাচাইকৃত বাজার দর অনুসারে কাওরান বাজারে মোটা চাল প্রতি কেজি ৪৮.০০-৫২.০০ টাকা এবং চিকন চাল প্রতি কেজি ৭৮.০০-৮৫.০০ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে। অপরদিকে, বাবু বাজারে মোটা চাল প্রতি কেজি ৪৮.০০-৫৪.০০ টাকা এবং চিকন চাল প্রতি কেজি ৭৮.০০-৮৫.০০ টাকা দরে বিক্রয় হচ্ছে। মোহাম্মাদপুর কৃষি মার্কেটে মধ্যম মানের চালের (ব্রি-২৮) প্রতি কেজির কেনা দাম ৫৭.০০ টাকা ও বিক্রয় ৫৭.৫০ টাকা। নাজির শাইল চাল প্রতি কেজি কেনা দাম ৮৩.৫০ টাকা ও বিক্রয় হচ্ছে ৮৪.০০-৮৫.০০ টাকা দরে । মিনিকেট মূলত মেশিন প্রসেসড রাইস। ব্রি ধান-২৮, ব্রি ধান-২৯, ব্রি হাইব্রিড ধান ও কাজল লতার মতো মোটা জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল পলিশ করে মিনিকেট নামে ব্র্যান্ডিং করা হচ্ছে। এ ধরেনের চালের মূল্য সমগ্র চালের বাজার দর প্রতিফলিত করে না।

দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বল্প মূলে চাল সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য খাদ্য মন্ত্রানলয় সদা স্বচেস্ট রয়েছে। মার্চ ও এপ্রিল মাসে সরকার খাদ্য বান্ধব কমসূচি, ও এম এস, ভিজিডি, টিসিবি ও এম এস এর মাধ্যমে প্রায় ৭.০০ লক্ষ টন চাল বন্টন করবে। এ ছাড়া, আসন্ন বোরো মৌসুমে চালের উৎপাদন ভাল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তখন চালের মূল্য আরও কমে আসবে। খাদ্য ঘাটতি যাতে না হয় সে দিকে লক্ষ্যে রেখে সরকার খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ গড়ে তুলেছে ও চালের দর যাতে স্থিতিশীল থাকে সে জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয় বিদেশ থেকে চাল আমদানিও অব্যাহত রেখেছে। খাদ্য মূল্য সহনশীল পর্যায়ে রাখার জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। দেশে কোন খাদ্য সংকট হবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *