রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃগত ২০ মার্চ বিভিন্ন অন
লাইন নিউজ প্রোটালে”বালু খেকো
হেমায়েতের অবৈধ বালু উত্তোলন, নদী
ভাঙন ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ” এবং “বালু
খেকো হেমায়েতের কাছে এলাকাবাসী জিম্মি ” শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হয়।
প্রকাশিত নিউজের ফলে নড়াইল জেলার
লোহাগড়া উপজেলার প্রশাসন নড়েচড়ে
বসে।বালু খেকো হেমায়েত উপায়ান্তর না
পেয়ে ভুক্তভোগী কয়েকজনকে বিভিন্ন
লোভনীয় প্রস্তাব দেয়।বালু খেকো হেমায়েতর ব্যবসার জন্য সরকারি যে সব
কাগজ পত্রের প্রয়োজন হয় তার কোন
কিছুই নেই।বালু খেকো হেমায়েতের কাছে
ইজারার কাগজ সম্পর্কে জানতে চাইলে
তিনি বলেন,আমার নিজের নামে কোন
পেপারস নেই, তবে অনের কাগজপত্র দিয়ে
বালু কাটি।ইজারাদার আওয়ামীলীগের
দোসর এরোন মিয়া হলেও তিনি জুলাই -আগষ্ট বিল্ববের পরে পলাতক রয়েছে।
স্হানীয় ভুক্তভোগী লোকজন জানায়,
বালুকাটা,বালুবহন করার জন্য ব্যবহৃত
যানবহন,যানবাহন চলাচলের ফলে সৃষ্ট
শব্দ সবই পরিবেশের জন্য ঝুকিপূর্ণ।
ঈদের কদিন আগে হেমায়েতকে এলাকাবাসী জানায়
তার বালু বহন করা গাড়ি গুলো বন্ধ করার
জন্য।কিন্তু হেমায়েত তাদের কথা না শুনে
আরো বেশি বেশি বালুর গাড়ি চালাতে শুরু করে।ঈদের সময় ঘনিয়ে আসার কারনে চাকুরীর
উদ্দেশ্য যারা বিভিন্ন শহরে ছিল তারা বাড়িতে আসছে তাই এলাকাবাসী সিদ্ধান্ত
নিয়ে তারা রাস্তার উপর আড়াআড়ি বাশ
বেধে দেয়।এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বালুখেকো
হেমায়েতের সন্ত্রাসীবাহিনী ভুক্তভোগী মোঃ
ওমরমোল্লার বাড়িতে হামলা করে বাড়ির
গেট ভেঙ্গে ফেলে।পরিস্থিতি খারাপ দেখে
এলাকাবাসী ৯৯৯ ফোন দেয়।লোহাগাড়া
থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃআশিকুর
রহমানের নির্দেশে এ এস আই মোঃমাসুদুর
রহমানের নেতৃত্বে একদল সঙ্গীয় ফোর্স
এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।এবং তাৎখনিক ভাবে বালু পরিবহন বন্ধ করে
দেয়।এ বিষয় এ এস আই মাসুদুর রহমান জানায়,আমি ওসি স্যারকে জানিয়েছি, এখান থেকে যেন আর বালু পরিবহন করতে না পারে।এটি এলাকাবাসীর চাওয়া।
উক্ত বিষয়ে নড়াইল জেলার লোহাগড়া
উপজেলার ইউএনও আবু রিয়াজ বলেন,
ডিসি স্যারের নির্দেশে সহকারী কমিশনার
(ভূমি) এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন।আমরা বিষয়টি নিয়ে অবগত আছি।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,
১৪ এপ্রিলপর্যন্ত ইজারার মেয়াদ,এর পর ইজারা দেওয়া হবে না,বালু কাটা বন্ধ
থাকবে।
মাকড়াইল,কাশিপুর এবং রামচন্দ্রপুর
সহ ভুক্তভোগী এলাকাবাসী পক্ষ থেকে
পরিবেশ অধিদপ্তর বরাবর আমরা
একটা অভিযোগ দিয়েছি এবং আর যেন
রি টেন্ডার দেওয়া না হয় সে জন্য ডিসি
মহোদয় বরাবর একটি দরখাস্ত দিয়েছি।
চলবে।