শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তিন উপদেষ্টা দায়িত্ব পেলেন তিন মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ আর্ক সামিট ২০২৫ উদ্বোধন: টেকসই, স্থিতিশীল ও মানুষকেন্দ্রিক স্থাপত্যের নতুন দিগন্ত —-শিক্ষামন্ত্রীর উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সি আর আবরার পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য —পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা তফসিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা হারিয়ে যাওয়া ৪৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দিলো পল্টন থানা পুলিশ বাংলাদেশ ছাড়া আমার দ্বিতীয় কোনো ঠিকানা নেই      -ধর্ম উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও মঙ্গোলিয়ার মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার সম্মানে মন্ত্রণালয়ে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত ঘাতক গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে প্রস্তুতি চলছে

বেসরকারি এয়ারলাইন্স খাতের উন্নয়নের কর্মপন্থা নির্ধারণের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অংশীজনদের সভা অনুষ্ঠিত।

আলী আহসান রবি / ৬৬ পাঠক
প্রকাশকাল শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন

আজ বিকাল ৪টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বেসরকারি এয়ারলাইন্স খাতের উন্নয়নের কর্মপন্থা নির্ধারণের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অংশীজনদের সভা অনুষ্ঠিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নীতিগত সমর্থনের অভাব, বিমানের যন্ত্রাংশে আরোপিত শুল্ক পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আলোচনার এ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মাননীয় উপদেষ্টাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি তুলে ধরেন।
এছাড়াও সভায় বেসরকারি অংশীজনরা দীর্ঘদিন ধরে Civil Aviation Rules (CAR) 84-এর Rule 190 সংশোধনের দাবি করে আসছে বলেও জানান।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা সম্মিলিতভাবে একটি ড্রাফট নীতিমালা প্রস্তুত করার প্রস্তাব দেন, যেখানে দ্বিমত থাকলে তা স্পষ্টভাবে জানানো হবে।
সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান বলেন, সিভিল এভিয়েশনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে, যারা এই সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে।
মাননীয় বিমান উপদেষ্টা সভায় বলেন,
“আমাদের দায়িত্ব হলো আপনাদের সমস্যা জানা ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নীতিমালা সংশোধন করা। ICAO’র নিয়ম আমরা অন্ধভাবে অনুকরণ করতে চাই না। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের নিজস্ব আইন থাকা উচিত, তবে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাও মানতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো এমন একটি কার্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ সিভিল এভিয়েশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে নীতিমালা থাকবে, তবে তা যেন অকার্যকর না হয়।”
তিনি আরও জানান, সকল চার্জ পুনর্নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে এবং শীঘ্রই তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। সভায় Novoair-এর ফ্লাইট পুনরায় চালু করায় তাদের অভিনন্দন জানানো হয়।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বিভিন্ন বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *