শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
অবৈধ ইটভাটা, পলিথিন ও দূষণকারী কারখানার বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযানে ৩৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ও ১২ টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী বন্যার সহায়তা ও সংহতির জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শুরু হলো চামড়া শিল্প প্রদর্শনীর ১১তম আসর ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২৫’ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৮৮টি দায়েরকৃত বন মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বস্ত্রখাতে কোন ভুল সিদ্ধান্ত হবে না,রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চাই: —উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এর বিশেষ অভিযানে সিগারেট কোম্পানির প্রায় ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ উদঘাটন বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ করে, আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংক দ্বারা নির্ধারিত নয়। —বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডঃ আহসান এইচ মনসুর স্থায়ী বিশেষজ্ঞ প্যানেল-এর সেমিনার অনুষ্ঠিত আগামী নির্বাচনে দায়িত্বপালন হবে ঐতিহাসিক: নতুন এসপি’দের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সারাদেশে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে সরকার

কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ স্কিম জোরদারে বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়ার সমঝোতা পত্র স্বাক্ষর

মোঃ সিকান্দার আলী / ৭০ পাঠক
প্রকাশকাল শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের জন্য টেকসই ক্ষতিপূরণ স্কিম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও দক্ষিণ কোরিয়ার স্বনামধন্য সামাজিক সুরক্ষা প্রতিষ্ঠান K-COMWEL এর মধ্যে আজ একটি সমঝোতা পত্র (Letter of Intent) স্বাক্ষরিত হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় (MoLE), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) এবং GIZ-এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত পাইলট প্রকল্পের সাফল্যের ভিত্তিতে এই চুক্তি সম্পাদন করা হয়।

আজ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদর দপ্তরে এ সমঝোতা পত্র স্বাক্ষর হয়।

সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার অফিসিয়াল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স (ODA) , বাংলাদেশে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রকল্প (EIS) বাস্তবায়নের জন্য পুনর্বাসন পরিষেবা, পেশাগত রোগ কভারেজ ও প্রশাসনিক ব্যয় বিষয়ে গভীর সমীক্ষা পরিচালনায় ২ দেশ একত্রে কাজ করবে। EIS বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক, প্রশাসনিক ইউনিট ও স্টেকহোল্ডারদের জন্য প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা হবে। সেসাথে শ্রমিক ও মালিক প্রতিনিধির পরামর্শ গ্রহণ করা হবে।

২০২৪ সালে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দক্ষিণ কোরিয়ার K-COMWEL (Korea Workers’ Compensation & Welfare Service) পরিদর্শন করে এবং ODA-ভিত্তিক সহযোগিতার পথ সুগম হয়। ILO-এর ২০১৫ সাল থেকে চলমান গবেষণা ও চলতি পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

উভয় দেশ ILO-এর কনভেনশন ১২১ (কর্মক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ সুবিধা, ১৯৬৪) অনুযায়ী কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সমঝোতা পত্র আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরি না করলেও ভবিষ্যৎ প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও জাতীয় EIS বাস্তবায়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

এ প্রকল্পে ILO, GIZ এবং বাংলাদেশের শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষায় অংশীদারদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার K-COMWEL তাদের কারিগরি জ্ঞান ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে বাংলাদেশের টেকসই ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষে একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় EIS চালু করার লক্ষ্যে উভয় দেশ কাজ করবে। এটি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জন্য ন্যায্য ও কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এ সমঝোতা পত্র স্বাক্ষর করেন। এ সময় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক Ms. Mia Seppo উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *