শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম
তিন উপদেষ্টা দায়িত্ব পেলেন তিন মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ আর্ক সামিট ২০২৫ উদ্বোধন: টেকসই, স্থিতিশীল ও মানুষকেন্দ্রিক স্থাপত্যের নতুন দিগন্ত —-শিক্ষামন্ত্রীর উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সি আর আবরার পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য —পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা তফসিল ঘোষণা করায় নির্বাচন কমিশনকে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা হারিয়ে যাওয়া ৪৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দিলো পল্টন থানা পুলিশ বাংলাদেশ ছাড়া আমার দ্বিতীয় কোনো ঠিকানা নেই      -ধর্ম উপদেষ্টা বাংলাদেশ ও মঙ্গোলিয়ার মধ্যে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত স্থানীয় সরকার উপদেষ্টার সম্মানে মন্ত্রণালয়ে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত। মোহাম্মদপুরে চাঞ্চল্যকর জোড়া খুনের ঘটনায় জড়িত ঘাতক গৃহকর্মী ও তার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে ব্যাপক আকারে প্রস্তুতি চলছে

২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে গুলিতে নিহত অজ্ঞাতপরিচয় ছয় মরদেহ আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আলী আহসান রবি - সিনিয়র রিপোর্টারন / ১৭০ পাঠক
প্রকাশকাল শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন

আজ ৭ই আগষ্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়, এর মধ্যে একটি নারীর (৩২) মরদেহ,বাকিগুলো পুরুষের, তাদের বয়স আনুমানিক ৩০, ২৫, ২০, ২২ ও ২৫ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী গোলাম মোখলেসুর রহমান, তিনি জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় ৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল আসে, এরপর সেগুলোর ডিএনএ আলামত সংগ্রহ করা হয়।

তিনি জানান, পুলিশের মাধ্যমে মরদেহগুলো আঞ্জুমান মুফিদুলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, প্রতিটি মরদেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল, একটি মরদেহে শর্টগানের গুলির চিহ্ন রয়েছে। বাকিগুলোতে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, আদালতের আদেশে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হলো।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ন-কমিশনার ফারুক আহমেদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছয়টি মরদেহ এখানে রাখা হয়েছিল এবং ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছিল, আমাদের পুলিশের যতগুলো কার্যক্রম ছিল প্রত্যেকটি আমরা সম্পন্ন করেছি, আমরা বিষয়টি আদালতকে অবহিত করি এবং আদালতের নির্দেশেই এই মরদেহগুলো আঞ্জুমান মুফিদুলের কাছে দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে, কবরস্থানে প্রত্যেকটি মরদেহের সিরিয়াল অনুযায়ী নম্বর থাকবে, ভবিষ্যতে যদি কারো সঙ্গে ডিএনএ স্যাম্পল ম্যাচ করে তাহলে তাদের মরদেহ দিয়ে দেওয়া হবে।
মরদেহগুলো কেন শনাক্ত করা যায়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাদের হাতের অবস্থা খারাপ থাকায় দেওয়া সম্ভব হয়নি, যে কারণে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, আমরা পরিচয় শনাক্তের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছি।
আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের দাফন সেবা অফিসার কামরুল ইসলাম বলেন, দাফনের উদ্দেশ্যে জুরাইন কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছয়টি মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে, এদের মধ্যে একজন নারী, বাকি সবাই পুরুষ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই মরদেহগুলোর মধ্যে তিনটি যাত্রাবাড়ী থানার, একটি পল্টন থানার ও দুটি শাহবাগ থানার, দীর্ঘদিন তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করলেও কেউ নিতে আসেনি, মরদেহগুলোর ডিএনএ সংরক্ষণ করা রয়েছে, যেন ভবিষ্যতে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *