শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১১:৫০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জুলাই-২০২৫ মাসের রাজস্ব আহরণ অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হাওর মহাপরিকল্পনা মূল্যায়ন ও হালনাগাদকরণের জন্য সমন্বিত সমীক্ষার খসড়া প্রতিবেদনের উপর মতামত আহ্বান ৭৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে বাড্ডা থানা পুলিশ জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেয়েছে বাংলাদেশ রমনা বিভাগের ডিসিকে নিয়ে আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স(এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ছবি তৈরি করে বিভ্রান্তি ছড়ানো প্রসঙ্গে দেশব্যাপী অভিযান: ১২৪৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন, শব্দ ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে জরিমানা, কারখানা সিলগালা ও বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার কর্ণফুলী টানেলের মেইনটেন্যান্স কাজের জন্য ট্রাফিক ডাইভারসন বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৬তম সীমান্ত সম্মেলন, ঢাকা এর যৌথ বিবৃতি এক মন্দির, দুই মসজিদকে জমি বরাদ্দ দিলো বাংলাদেশ রেলওয়ে

২০২৪ সালের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে গুলিতে নিহত অজ্ঞাতপরিচয় ছয় মরদেহ আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আলী আহসান রবি - সিনিয়র রিপোর্টারন / ১০৬ পাঠক
প্রকাশকাল শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১১:৫০ অপরাহ্ন

আজ ৭ই আগষ্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়, এর মধ্যে একটি নারীর (৩২) মরদেহ,বাকিগুলো পুরুষের, তাদের বয়স আনুমানিক ৩০, ২৫, ২০, ২২ ও ২৫ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী গোলাম মোখলেসুর রহমান, তিনি জানান, জুলাই আন্দোলনের সময় ৭ জুলাই থেকে ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল আসে, এরপর সেগুলোর ডিএনএ আলামত সংগ্রহ করা হয়।

তিনি জানান, পুলিশের মাধ্যমে মরদেহগুলো আঞ্জুমান মুফিদুলের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, প্রতিটি মরদেহে আঘাতের চিহ্ন ছিল, একটি মরদেহে শর্টগানের গুলির চিহ্ন রয়েছে। বাকিগুলোতে অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, আদালতের আদেশে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হলো।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ন-কমিশনার ফারুক আহমেদ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছয়টি মরদেহ এখানে রাখা হয়েছিল এবং ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছিল, আমাদের পুলিশের যতগুলো কার্যক্রম ছিল প্রত্যেকটি আমরা সম্পন্ন করেছি, আমরা বিষয়টি আদালতকে অবহিত করি এবং আদালতের নির্দেশেই এই মরদেহগুলো আঞ্জুমান মুফিদুলের কাছে দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে, কবরস্থানে প্রত্যেকটি মরদেহের সিরিয়াল অনুযায়ী নম্বর থাকবে, ভবিষ্যতে যদি কারো সঙ্গে ডিএনএ স্যাম্পল ম্যাচ করে তাহলে তাদের মরদেহ দিয়ে দেওয়া হবে।
মরদেহগুলো কেন শনাক্ত করা যায়নি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা ফিঙ্গারপ্রিন্ট দেওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু তাদের হাতের অবস্থা খারাপ থাকায় দেওয়া সম্ভব হয়নি, যে কারণে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, আমরা পরিচয় শনাক্তের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছি।
আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের দাফন সেবা অফিসার কামরুল ইসলাম বলেন, দাফনের উদ্দেশ্যে জুরাইন কবরস্থানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ছয়টি মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে, এদের মধ্যে একজন নারী, বাকি সবাই পুরুষ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই মরদেহগুলোর মধ্যে তিনটি যাত্রাবাড়ী থানার, একটি পল্টন থানার ও দুটি শাহবাগ থানার, দীর্ঘদিন তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করলেও কেউ নিতে আসেনি, মরদেহগুলোর ডিএনএ সংরক্ষণ করা রয়েছে, যেন ভবিষ্যতে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *