রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
শরীয়তপুর জাজিরা উপজেলার পালেরচর ইউনিয়নের গয়জদ্দিন আকন কান্দিতে প্রকাশ্য দিবালোকে মধ্যবয়সী নারীকে বেআইনিভাবে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে রোহিঙ্গা নারী ও মেয়েদের জন্য জরুরি সুরক্ষার প্রয়োজন ধানমন্ডিতে দস্যুতার ঘটনায় আলামতসহ তিনজন গ্রেফতার গুলিস্তানে চোরাই মোবাইল চক্রের দশ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার: উদ্ধার ১০৩টি ফোন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মী কর্তৃক ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ে হামলার ভিডিওটি গুজব SAHR প্রতিনিধিদলের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূসের সাথে সাক্ষাৎ গণ অধিকার পরিষদের রাশেদ খান নুর এর ওপর হামলাকারীর পরিচয় জানালেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিবৃতি মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দুই প্রতিনিধি বুয়েট শিক্ষার্থী শাদিদের চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন খাদ্য, পানি, বায়ু ও প্রকৃতি সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

রোহিঙ্গা নারী ও মেয়েদের জন্য জরুরি সুরক্ষার প্রয়োজন

মোঃ সিকান্দার আলী / ৫ পাঠক
প্রকাশকাল রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গা নারী ও মেয়েদের সুরকার ঝুঁকি ও বিধাৎ আকাঙ্ক্ষার ওপর একশন এইড-এর গবেষণা প্রকাশ
রোহিঙ্গা নারী ও মেয়েদের জন্য জরুরি সুরক্ষার প্রয়োজন
টাকা, একশন এইড বাংলাদেশ, ৩১ আগস্ট, ২০২৫, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুতির অষ্টম বছরে,
বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সুরক্ষার ঝুঁকি বা চোর ওপর একটি নতুন
গবেষণা পরিচালনা করা হয়েছে। গবেষণায় তাঁদের জীবনযাত্রার বহুমুখী চ্যালেঞ্জগুলো উঠে এসেছে। গবেষণা অনুযায়ী,
সব ক্যাম্পেই যৌন হয়রাণিকে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের’ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ
একটি স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে এবং মাত্র ৭% নারী স্বাধীনভাবে আইনি সহায়তা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন এবং
প্রায় অর্ধক অংশগ্রহণকারী (৮%) মনে করেন পুরুষ ও ছেলেদের জন্য কাউন্সেলিং জরুরি। এর পাশাপাশি, রোহিহা
শিবিরে গড়ে ওঠা সশস্ত্র গোষ্ঠীর দৌরাত্ম্য এবং মাদকের বিস্তার তাঁদের নিরাপত্তা ও সুস্থতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে।
প্রত্যাবাসনের ভবিষ্যত বিষয়ে, বেশিরভাগ নারী ও কিশোরী মেয়ে (ক্যাম্পাভদে ৫০.৮২%) মিয়ানমারে নিরাপদে
প্রত্যাবাসনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তবে অপেক্ষাকৃত কম বয়সীরা তৃতীয় কোনো দেশে অভিবাসনের কথা বলেছেন।
এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গা নারী ও মেয়েদের জন্য অবিলম্বে জেন্ডার-সংবেদনশীল সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং দীর্ঘমেয়াদি
সমাধানের প্রয়োজন বলে গবেষণায় সুপারিশ করা হয়েছে। এবং রোহিঙ্গা সংকটে মানবিক গাড়াদান, জলবায়ু কার্যক্রম,
এবং শান্তি-সম্প্রীতি নিশ্চিত করার জন্য একটি সমন্বিত উদ্দ্যোগ গ্রহণ করা অত্যাবশ্যক।
আজ রোববার (৩১ আগট) গুলশানের একটি হোটেলে একশনএইড বাংলাদেশ আয়োজিত গবেষণার ফলাফল প্রকাশ
এ সংলাপ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য উঠে আসে। ‘আবার হেফাজত, রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের কন্ঠসর মাধ্যমে তাদের
সুরকার প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে সরকারি সংস্থা, জাতিসংঘ, দূতাবাস, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা,
দাতা সংস্থা, গবেষক, বিশেষজ্ঞ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে একশনএইড বাংলাদেশের হেড অব প্রোগ্রাম অ্যান্ড এনগেজমেন্ট কাজী মোর্শেদ আলম স্বাগত বক্তব্য
দেন। এরপর সংস্থার হেড অব হিউম্যানিটারিয়ান প্রোগ্রাম মো. আব্দুল আলীম মানবিক কর্মসূচির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র
তুলে ধরেন। গবেষণার মূল তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করেন সংস্থার পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি ম্যানেজার
তামাজের আহমেদ। এরপর গবেষণার রোহিঙ্গা নারী ও মেয়েদের সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে একটি সংলাপ পরিচালনা
করেন একশনএইড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির।
সংলাপে উঠে আসা মূল আলোচনা:
সংলাপে অংশগ্রহণকারীরা রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরী মেয়েদের সুরক্ষার বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর জোর দেন।
তাঁরা বলেন, এই গবেষণার ফলাফল শুধু একটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন নয়, বরং এটি রোহিঙ্গা শরণার্থী নারীদের
কন্ঠস্বর, যা তাঁদের বাস্তব জীবনের চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে। ফারাহ্ কবির তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এই গবেষণায় আমরা
স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি, রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীরা আজ বহুমুখী ঝুঁকির মুখে। তাঁদের কন্ঠস্বর আমাদের জানান দিচ্ছে –
সময় নষ্টের সুযোগ নেই। এখনই কৌশলগত পরিবর্তন এনে দীর্ঘমেয়াদি, অধিকারভিত্তিক ও জেন্ডার-সংবেদনশীল
উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি, যা রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *