শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম
অবৈধ ইটভাটা, পলিথিন ও দূষণকারী কারখানার বিরুদ্ধে সারাদেশে অভিযানে ৩৫ লক্ষ টাকা জরিমানা ও ১২ টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী বন্যার সহায়তা ও সংহতির জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন শুরু হলো চামড়া শিল্প প্রদর্শনীর ১১তম আসর ‘লেদারটেক বাংলাদেশ ২০২৫’ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৮৮টি দায়েরকৃত বন মামলা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বস্ত্রখাতে কোন ভুল সিদ্ধান্ত হবে না,রফতানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চাই: —উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এর বিশেষ অভিযানে সিগারেট কোম্পানির প্রায় ৯ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ উদঘাটন বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ করে, আইএমএফ বা বিশ্বব্যাংক দ্বারা নির্ধারিত নয়। —বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ডঃ আহসান এইচ মনসুর স্থায়ী বিশেষজ্ঞ প্যানেল-এর সেমিনার অনুষ্ঠিত আগামী নির্বাচনে দায়িত্বপালন হবে ঐতিহাসিক: নতুন এসপি’দের উদ্দেশ্যে প্রধান উপদেষ্টা বেগম খালেদা জিয়ার জন্য সারাদেশে দোয়া ও প্রার্থনার আহ্বান জানিয়েছে সরকার

অনন্যা সাহিত্য পুরষ্কার পেলেন মহুয়া রউফ নিজস্ব প্রতিবেদক

ফটোসাংবাদিক ,মোস্তাফিজুর রহমান মিন্টু / ৪৫ পাঠক
প্রকাশকাল শুক্রবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ অপরাহ্ন

দেশের শীর্ষস্থানীয় নারীভিত্তিক ম্যাগাজিন পাক্ষিক অনন্যার আয়োজনে প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হলো অনন্যা সাহিত্য পুরষ্কার-১৪৩২ প্রদান অনুষ্ঠান।
রাজধানীর ধানমন্ডির বেঙ্গল শিল্পালয়ে শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিকালে এই পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
এবছর এই পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন ভ্রমণবিষয়ক লেখক ও ভূপর্যটক মহুয়া রউফ।

পাক্ষিক অনন্যা ও দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ড. তানজিনা হোসেন ও কবি পিয়াস মজিদ। তারা মহুয়া রউফের লেখার ওপর আলোচনা করেন।

তাসমিমা হোসেন বলেন, এই প্রথম অনন্যা ভ্রমনবিষয়ক লেখককে পুরষ্কৃত করলো। বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে খুব কম এমন লেখিকা পাওয়া যাবে। ভ্রমণের মধ্যে মহুয়া নতুন আংগিক এনেছে। কিভাবে একটা লেখাকে শিক্ষনীয় করা যায় তা মহুয়া রউফের লেখা পড়লে বোঝা যায়। তার লেখনিতে ভাষাশৈলী ও গরীর জ্ঞ্যান দারুনভাবে উঠে এসেছে।

বক্তারা বলেন, মহুয়া রউফ তার প্রথম বই ‘দখিন দুয়ার খোলা’-তে অ্যান্টার্কটিকার দুর্গম অভিযাত্রার রোমাঞ্চকে তুলে এনেছেন নতুন দৃষ্টিতে।
দ্বিতীয় বই ‘লাতিনের নাটাই’ পাঠককে নিয়ে গেছে মায়া-ইনকা সভ্যতার বিস্ময়, নেরুদার কবিতার সুর আর লাতিন সংস্কৃতির প্রাণচাঞ্চল্যের ভেতরে।
তার ভ্রমণগদ্য মানুষের জীবন, ইতিহাস, প্রকৃতি আর স্মৃতির ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া এক নবতর আলোকরেখা। এভাবে তিনি বাংলা ভ্রমণসাহিত্যকে দিয়েছেন কৌতূহলোদ্দীপক ভিন্নতর বৈশিষ্ট্য।

বক্তারা আরও বলেন, মহুয়া রউফ গবেষক হিসেবে বহু দিনে ধরে অনুসন্ধিৎসু মন নিয়ে ছুটে গেছেন পৃথিবীর দূরতম বিচিত্র অঞ্চলে। আর সেই পথচলার মধ্যেই জন্ম নিয়েছে তার লেখকসত্তা। একাকী ভ্রমণ তাঁর কাছে শুধু স্বাধীনতার অনুশীলন নয়-এ এক অপার আত্মবিশ্বাস। ইউরোপের ব্যস্ত নগরী থেকে লাতিন আমেরিকার উন্মাতাল সংস্কৃতি, আবার সোজা পৃথিবীর সর্বদক্ষিণের বরফমহাদেশ অ্যান্টার্কটিকা-সবখানেই তিনি হেঁটেছেন নিজের কৌতূহল আর জেদকে সঙ্গী করে।

এর আগে অনুষ্ঠানে পুরষ্কারপ্রাপ্ত লেখকের ওপর তাপস কুমার দত্ত নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
এরপর তাকে উত্তরীয় পরিয়ে দেন অনন্যা সম্পাদক তাসমিমা হোসেন। পরে তাকে ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।

সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য নারী সাহিত্যিকদের ১৯৯৩ সাল (বাংলা ১৪০১ সন) থেকে ৩২ বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে অনন্যা সাহিত্য পুরষ্কার দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.