শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৭:১৭ অপরাহ্ন
আজ বিকাল ৪টায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বেসরকারি এয়ারলাইন্স খাতের উন্নয়নের কর্মপন্থা নির্ধারণের সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অংশীজনদের সভা অনুষ্ঠিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর বর্তমান চ্যালেঞ্জ, নীতিগত সমর্থনের অভাব, বিমানের যন্ত্রাংশে আরোপিত শুল্ক পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয়তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারীরা আলোচনার এ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য মাননীয় উপদেষ্টাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি তুলে ধরেন।
এছাড়াও সভায় বেসরকারি অংশীজনরা দীর্ঘদিন ধরে Civil Aviation Rules (CAR) 84-এর Rule 190 সংশোধনের দাবি করে আসছে বলেও জানান।
সভায় অংশগ্রহণকারীরা সম্মিলিতভাবে একটি ড্রাফট নীতিমালা প্রস্তুত করার প্রস্তাব দেন, যেখানে দ্বিমত থাকলে তা স্পষ্টভাবে জানানো হবে।
সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান বলেন, সিভিল এভিয়েশনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়েছে, যারা এই সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছে।
মাননীয় বিমান উপদেষ্টা সভায় বলেন,
“আমাদের দায়িত্ব হলো আপনাদের সমস্যা জানা ও প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে নীতিমালা সংশোধন করা। ICAO’র নিয়ম আমরা অন্ধভাবে অনুকরণ করতে চাই না। একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের নিজস্ব আইন থাকা উচিত, তবে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাও মানতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো এমন একটি কার্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ সিভিল এভিয়েশন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে নীতিমালা থাকবে, তবে তা যেন অকার্যকর না হয়।”
তিনি আরও জানান, সকল চার্জ পুনর্নির্ধারণের কাজ চলমান রয়েছে এবং শীঘ্রই তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। সভায় Novoair-এর ফ্লাইট পুনরায় চালু করায় তাদের অভিনন্দন জানানো হয়।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও বিভিন্ন বেসরকারি এয়ারলাইন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।